logo
news image

নায়ক রাজ্জাকের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী

প্রাপ্তি প্রসঙ্গ ডেস্ক।।
বুধবার (২১ আগস্ট) বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। টানা পাঁচদশক চলচ্চিত্রের ভান্ডারকে পূর্ণতা দিয়ে এই অভিনেতা অর্জন করেছিলেন মানুষের অফুরন্ত ভালোবাসা ও একাধিকবার জাতীয় পুরষ্কার। ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট অগনিত ভক্তকে চোখের জলে ভাসিয়ে পরপারে চলে গেছেন বাংলা চলচ্চিত্রের এই নায়করাজ।
তিনি নায়করাজ রাজ্জাক নামে সুপরিচিত। চলচ্চিত্র পত্রিকা চিত্রালীর সম্পাদক আহমদ জামান চৌধুরী তাকে নায়করাজ উপাধি দিয়েছিলেন। নিজের জন্মস্থান ভারতের কলকাতায় সপ্তম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত অবস্থায় মঞ্চ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেছিলেন এবং ১৯৬৬ সালে ১৩ নম্বর ফেকু ওস্তাগার লেন চলচ্চিত্রে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশি চলচ্চিত্রে তার অভিষেক ঘটে। তিনি জহির রায়হানের ‘বেহুলা’ চলচ্চিত্রে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করেন। ষাটের দশকের শেষের দিকে এবং সত্তরের দশকেও তাকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের প্রধান অভিনেতা হিসেবে বিবেচনা করা হত।
অভিনয় জীবনে তিনি বেহুলা, আগুন নিয়ে খেলা,আগুন, জিঞ্জির, এতটুকু আশা, নীল আকাশের নীচে, জীবন থেকে নেয়া, ওরা ১১ জন, অবুঝ মন, রংবাজ, বদনাম,কালো গোলাপ,অংশিদার, আনার কলি, লাইলি-মজনু, আলোর মিছিল, অশিক্ষিত, ছুটির ঘণ্টা এবং বড় ভালো লোক ছিলসহ ৩০০টির বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি সব মিলিয়ে ১৬টি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন।
২০১৫ সালে বাংলাদেশ সরকার সংস্কৃতিতে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য তাকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে। ১৯৭৬, ১৯৭৮, ১৯৮২, ১৯৮৪ ও ১৯৮৮ সালে তিনি মোট পাঁচবার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তাকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করা হয়। এছাড়াও তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য বাচসাস পুরস্কার, মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন। ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট ৭৫ বছর বয়সে তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

কমেন্ট করুন

...

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Top