logo
news image

ঈশ্বরদীতে গৃহবধু হত্যা মামলার ২ আসামী গ্রেফতার

ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতাঃ
ঈশ্বরদীর বাঘইল গ্রামের গৃহবধূ কন্ঠ শিল্পী সীমা খাতুন হত্যা মামলার ২ আসামীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গোপন সংবাদ এবং তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই অসিত কুমার বসাকসহ একদল পুলিশ রবিবার সকালে সাভারের আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে এজাহার ভূক্ত শ্বশুর আব্দুর রহমান এবং শ্বাশুড়ি লতা পারভীনকে গ্রেফতার করে সন্ধ্যায় ঈশ্বরদী থানায় নিয়ে আসে।
গত বছরের ১০ই ডিসেম্বর রাতে মৃত স্ত্রী সীমা আক্তার (২৬) কে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে পালিয়ে যায় স্বামী আবু রায়হান রাজেশ। এঘটনায় ঈশ্বরদী থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের হয়। ঘটনার পর হতে রাজেশ ও তার বাবা ও মা পলাতক ছিল। এঘটনায় গত ২৬ শে ফেব্রুয়ারী মা বিলকিস খাতুন বাদী হয়ে স্বামী, শ্বশুর, শ্বাশুড়িসহ ৫জনকে আসামী করে পাবনা আদালতে যৌতুকের কারণে সীমাকে হত্যা করা হয়েছে বলে একটি মামলা দায়ের করে। এই মামলায় পলাতক আসামী শ্বশুর ও শ্বাশুড়িকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
সীমা ঈশ্বরদী শহরের শৈলপাড়া এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী নূর আলীর মেয়ে। রাজেশ একটি ওষুধ কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিল। তাদের ৪ বছরের একটি পুত্র সন্তানও রয়েছে। সীমার ভাই বিপুল জানায়, যৌতুকের কারণে প্রায়ই সীমাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো স্বামী রাজেশ। পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর সীমাকে হাসপাতালে রেখে রাজেশ পালিয়ে যায়। এসময় চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সীমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার কারণেই তার গলায় দাগ ছিল বলে তিনি দাবী করেন।  

কমেন্ট করুন

...

সাম্প্রতিক মন্তব্য