logo
news image

নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ ৩ জানুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা।  ।  
আগামী বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথ নেবেন বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। মঙ্গলবার (১ জানুয়ারি) সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) কার্যালয়ে ‘বিএসআরএফ-সংলাপ’ অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘আগামী ৩ জানুয়ারি সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন। এর আগে গেজেট প্রকাশিত হবে। সুতরাং মহাজোটের সরকার গঠন হতে যাচ্ছে, এটা অবধারিত।’ ‘নতুন মন্ত্রিসভা কবে গঠন করা হবে’ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সময়টা আমি বলতে পারবো না। এটা প্রধানমন্ত্রী জানেন। সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পরই মন্ত্রিসভায় যাওয়ার যোগ্যতা রাখেন। সুতরাং এটা প্রধানমন্ত্রী ও তার দফতরই নির্ধারণ করবে কবে কখন ও কাদেরকে নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে।’
‘নতুন সরকারের আকার কেমন হবে এবং নতুন মন্ত্রিসভায় কতজন নতুন মুখ আসতে পারে’ এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এটা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার, এই ব্যাপারে আমি কোন মন্তব্য করতে চাই না। প্রধানমন্ত্রী সবচেয়ে যোগ্য ও কার্যকর লোক দিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে।’
‘নতুন সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ কী হবে’ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে হাসানুল হক ইনু বলেন, সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জের একটা হচ্ছে, সরকার যে উন্নয়ন করেছে সেই উন্নয়নটা রক্ষা করে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। জঙ্গী সন্ত্রাস দমন করে যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, সেই শান্তি বজায় রেখে সাম্প্রদায়িকতা ও সামরিক শাসনের যে জঞ্জাল এখনও রয়েছে সেগুলো পরিষ্কার করা।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মহাকর্মযজ্ঞই এত বড় বিজয় অর্জন সম্ভব হয়েছে। বিএনপি প্রার্থীদের আয়েশি মনোভাব ও মনোনয়ন নিয়ে বাণিজ্যই তাদের ভরাডুবির কারণ, আরও অনেক কারণ রয়েছে। জ্বালাও-পোড়াও, হত্যা, ধ্বংসের অপরাজনীতি অনুসরণের ফলেও তাদের এ ভরাডুবি।’ জাসদ সভাপতি বলেন, বিএনপি-জামায়াত যখনই পরাজিত হয় তারা নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে। ১৯৯৬ সালে ও ২০০৮ সালেও তারা একই দাবি করেছে। এটা তাদের রাজনৈতিক বদ অভ্যাস।
বিএসআরএফ সভাপতি শ্যামল কুমার সরকারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মহসীন হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সাম্প্রতিক মন্তব্য