logo
news image

মেয়ে হয়ে জন্ম হওয়ার অপরাধে এসিড দ্বগ্ধ সীমার সাফল্য

মোস্তফা মল্লিক।  ।  
মনে আছে সেই সীমার কথা? ২০১০ সালে কোনো স্কুলই ভর্তি নিতে রাজি হচ্ছিল না সীমাকে। সীমার বয়স যখন ১ দিন তখনই বাবা এসিড ছুঁড়ে মারে তাকে। অপরাধ মেয়ে হয়ে জন্মানো।
আমার সঙ্গে পরিচয় ২০১০ এর জানুয়ারির দিকে, মহাখালীর কড়াইল বস্তিতে। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য শতাধিক সরকারি বিদ্যালয়ে গেলেওে চেহারার কারণে কোনো স্কুল ভর্তি নিতে রাজি হচ্ছিল না তাকে। চ্যানেল আইয়ে রিপোর্ট প্রচারের পর ২০১০ সালে সীমা সরকারি স্কুলে ভর্তি হতে পেরেছিল। একজন প্রবাসীর সহায়তায় বস্তি থেকে সীমার স্থান হয় আধুনিক ফ্ল্যাটে। এরপর নিজেদের জমিতে হবিগঞ্জের বাড়িতে বসবাস। পঞ্চম শ্রেণিতে জিপিএ ৫ পায় এই শিক্ষার্থী। হঠাৎ করেই আর্থিক সাহায্য বন্ধ হয়ে যায় তার। আবারো রিপোর্ট। এগিয়ে আসেন আরেক প্রবাসী মাহমুদ মায়া।   প্রতিমাসে লেখাপড়ার খরচ দিতে শুরু করেন তিনি। এখন সীমার গল্প ভিন্ন কিছু। মেধাবী, সাহসী সীমাকে গত ৮ বছর ধরে ফলো করছি আমি। গ্রাম থেকে গ্রামে ছুটে বেড়ানো সীমা অস্টম শ্রেণিতে পেয়েছে জিপিএ ৪.৮০। শুভ কামনা সীমা ও তার পরিবারের জন্য। বলে রাখি সীমার মাও এসিডে আক্রান্ত।

কমেন্ট করুন

...

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Top