logo
news image

প্রার্থী বিভ্রাটে ধানের শীষ-প্রচারণা বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক।  ।  
নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে থেমে গেছে ধানের শীষের প্রচারণা। প্রার্থী বিভ্রাটে চার দিন থেকে ধানের শীষের পক্ষে এ আসনটিতে বন্ধ হয়ে পড়েছে নির্বাচনী প্রচারণা কার্যক্রম।
সাধারণ ভোটারদের মুখে এখন শুধু একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে; কে হচ্ছেন ধানের শীষের কান্ডারি, বিমল নাকি শিরিন?
নির্বাচনের আর মাত্র ছয়দিন বাঁকি। তবুও ধানের শীষের প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে দুই প্রার্থী রয়েছেন আদালত পাড়ায়। ফলে চূড়ান্ত প্রার্থী নিয়ে অনিশ্চয়তায় ধানের শীষের সমর্থকরা।
বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়নের চিঠি পাওয়া দুজনের মধ্যে প্রথমে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়া হয় কামরুন্নাহার শিরিনকে। কিন্তু প্রত্যাহারের শেষ দিনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের মুনজুরুল ইসলাম বিমল ধানের শীষের প্রতীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়ে চমক দেখান।
সে সময় লালপুর-ঈশ্বরদী মহাসড়ক অবরোধ করে বিএনপির শিরিন সমর্থক নেতাকর্মীরা। আর ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রচার-প্রচারণায় নামে ঐক্যফ্রন্টের মুনজুরুল ইসলাম বিমল।
কিন্তু নির্বাচনের ঠিক নয়দিন আগে বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ কামরুন্নাহার শিরিনের করা এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে গত বৃহস্পতিবার শিরিনকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এ খবরে মুনজুরুল ইসলাম বিমল ছুটে যান ঢাকায়। হাইকোর্টের দেয়া এ নির্দেশে সংক্ষুব্ধ হয়ে তিনিও এ বিষয়ে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার ঘোষণা দেন। এর ফলে নতুন করে নাটকীয়তার জন্ম নেয় বিএনপিতে।
দুই প্রার্থী আদালত পাড়ায় আইনি লড়াইয়ে থাকায় কে হচ্ছেন ধানের শীষের চূড়ান্ত প্রার্থী এ নিয়ে রয়েছে নানা মত। যার ফলে থমকে গেছে দলটির নির্বাচনী প্রচারণা কার্যক্রম।
এ ব্যাপারে কামরুন্নাহার শিরিন বলেন, গত বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট তার (শিরিনের) পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। আদেশনামা হাতে পেলে তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনে যাবেন। সেখান থেকে প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে তিনি মাঠে নামবেন।
মুনজুরুল ইসলাম বিমল বলেন, ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দের বিষয়ে তিনি আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। তিনিই আবার ধানের শীষের প্রতীক বরাদ্দ পাবেন এমনটি আশা করেন।

কমেন্ট করুন

...

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Top