logo
news image

মুমিনুলের ফিফটি

 

সান্দাকান ফেরালেন ইমরুলকে
 
আস্থার সঙ্গে খেলতে থাকা ইমরুল কায়েসকে ফিরিয়েছেন লাকশান সান্দাকান। তার গুগলিতে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন ইমরুল। রিভিউ নিলে বেঁচে যেতেন তিনি, পাল্টাত আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত।
 
চায়নাম্যান সান্দাকানের গুগলি বুঝতেই পারেননি বাঁহাতি ওপেনার। পা বাড়িয়ে ডিফেন্স করতে গিয়ে ব্যাটে খেলতে পারেননি। এলবিডব্লিউ হয়ে যাওয়ার পর নন স্ট্রাইকার মুমিনুল হকের সঙ্গে কথা বলে রিভিউ না নিয়ে ফিরেন ইমরুল। বল ট্র্যাকিংয়ে দেখা গেছে বল স্টাম্পের উপর দিয়ে যেত। 
 
৭৫ বলে চারটি চারে ইমরুলের রান ৪০। তার বিদায়ে ভাঙে ৪৮ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি। সান্দাকানের উইকেটে ওভার অসমাপ্ত রেখে লাঞ্চে যায় দুই দল। 
 
তামিম ইকবাল-ইমরুল কায়েসের ব্যাটে ভালো শুরু করা বাংলাদেশ ২৭.৪ ওভারে তুলে ১২০ রান। প্রথম সেশনে দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে ম্যাচে ফিরেছে শ্রীলঙ্কা।

দ্রুত বাংলাদেশের একশ
 
তামিম ইকবালের বিদায়ের কোনো প্রভাব দলের ওপর পড়তে দেননি ইমরুল কায়েস-মুমিনুল হক। দুই জনের ব্যাটে দ্রুত রান তুলছে বাংলাদেশ। ২০ ওভারে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছে স্বাগতিকদের সংগ্রহ। 
 
দিলরুয়া পেরেরাকে বেরিয়ে এসে পুল করে বাউন্ডারিতে দলকে একশ রানে নিয়ে যান মুমিনুল। 
 
২০ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১০১/১। ইমরুল ৫১ বলে ২৯ রানে অপরাজিত। মুমিনুল ১৭ বলে খেলছেন ১৮ রান নিয়ে।

 

 

 

পঞ্চাশ করে ফিরে গেলেন তামিম
 
পঞ্চাশ ছুঁয়ে ফিরে গেলেন তামিম ইকবাল। বাঁহাতি ওপেনারকে বোল্ড করে দলকে প্রথম সাফল্য এনে দিয়েছেন দিলরুয়ান পেরেরা।
 
অফ স্পিনারের কুইকার ডেলিভারি সামনে পা বাড়িয়ে ডিফেন্স করেছিলেন তামিম। অফ স্টাম্পের বাইরে পড়ে ভেতরে ঢোকা বল ব্যাটে খেলতে পারেননি তিনি। ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলে স্টাম্প এলোমেলো করে দেয় বল।  
 
৫৩ বলে ৬টি চার ও একটি ছক্কায় ৫২ রান করে ফিরেন তামিম। ভাঙে ইমরুল কায়েসের সঙ্গে ৭২ রানের উদ্বোধনী জুটি। 
 
ক্রিজে ইমরুলের সঙ্গী মুমিনুল হক। ১৬ ওভারে বাংলাদেশের রান ১ উইকেটে ৭২।
 
 

 

তামিমের ফিফটি
 
ওয়ানডে ঘরানার ব্যাটিংয়ে দ্বিতীয় ঘণ্টার শুরুতেই ফিফটি তুলে নিয়েছেন তামিম ইকবাল। তার ব্যাটে ভালো শুরু পেয়েছে বাংলাদেশ। 
 
৪৬ বলে আসে তামিমের পঞ্চাশ। টেস্টে তার ২৫তম ফিফটি। বাঁহাতি ওপেনারের ইনিংসে ৬টি চারের পাশে আছে একটি ছক্কা।   
 
১৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৭২/০। তামিম ৪৮ বলে ৫২ ও ইমরুল কায়েস ৪৩ বলে ১৯ রানে ব্যাট করছেন।

 

প্রথম ঘণ্টায় ৬৭ রান
 
বাংলাদেশকে ভালো শুরু এনে দিয়েছেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস। চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ঘণ্টায় বিনা উইকেটে উঠেছে ৬৭ রান। 
 
জমে উঠতে সময় নেয়নি দুই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের উদ্বোধনী জুটি। পেসাররা একদমই ভোগাতে পারেননি তাদের। স্পিনারদেরও তারা খেলছেন সাবলীলভাবে।
 
অফ স্পিনার দিলরুয়ান পেরেরাকে তামিম হাঁকিয়েছেন ছক্কা-চার। ত্রয়োদশ ওভারে আক্রমণে আসা রঙ্গনা হেরাথ নিজের প্রথম ওভারে পরীক্ষা নিতে পারেননি দুই ব্যাটসম্যানের।   
 
১৪ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৬৭/০। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে তামিম ৪৫ বলে অপরাজিত ৪৯ রানে। ইমরুল ৪০ বলে খেলছেন ১৭ রানে।

 

 

 

তামিমের ছক্কায় দলের পঞ্চাশ
 
অফ স্পিনার দিলরুয়ান পেরেরাকে বেরিয়ে এসে লং অন দিয়ে উড়িয়েছেন তামিম ইকবাল। ম্যাচের প্রথম ছক্কায় শুরুর জুটি গেছে পঞ্চাশ রানে। 
 
৯.৩ ওভারে এসেছে তামিম-ইমরুল কায়েস জুটির ফিফটি। টেস্টে সব শেষ দশ ইনিংসে এটি বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চাশ ছোঁয়া উইদ্বোধনী জুটি।
 
যথারীতি জুটিতে অগ্রণী তামিম। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৩৩ বলে খেলছেন ৪১ রানে। ইমরুল ২৭ বলে ১২। ১০ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৫৩/০।

 

অষ্টম ওভারে স্পিন
 
দুই পেসার সুরঙ্গা লাকমল ও লাহিরু কুমারা খুব একটা পরীক্ষা নিতে পারেননি তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েসের। শুরুর জুটি ভাঙতে অষ্টম ওভারে অফ স্পিনার দিলরুয়ান পেরেরাকে আক্রমণে এনেছেন দিনেশ চান্দিমাল। 
 
বেরিয়ে এসে এক্সট্রা-কাভার দিয়ে চার হাঁকিয়ে দিলরুয়ানকে স্বাগত জানিয়েছেন তামিম।
 
শুরুর জুটিতে দ্রুত এগোচ্ছে বাংলাদেশ। ৮ ওভারে ৪৫ রান তুলে ফেলেছেন দুই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। তামিম ৩৪ ও ইমরুল ১১ রানে ব্যাট করছেন।

তামিমের টানা তিন চার
 
টেস্টে ফেরা লাহিরু কুমারাকে টানা তিন চারে স্বাগত জানান তামিম ইকবাল। প্রথম বলে ফ্লিক করে সিঙ্গেল নিয়ে সঙ্গীকে স্ট্রাইক দেন ইমরুল কায়েস।
 
পরের তিনটি বল সীমানার বাইরে পাঠান তামিম। প্রথম চারে আছে ভাগ্যের ছোঁয়া। ব্যাটের কানায় লেগে দ্বিতীয় স্লিপের পাশ দিয়ে হয়ে যায় বাউন্ডারি। 
 
কুমারার পরের দুটি বল ছিল ফুল লেংথের। প্রথমটি লেগ স্টাম্পে, গ্ল্যান্স করে বাউন্ডারি তুলে নেন তামিম। পরেরটি অফ স্টাম্পে, স্ট্রেট ড্রাইভে আবার পাঠান সীমানার বাইরে।   
 
৩ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ২২/০। তামিম ২০ ও ইমরুল ২ রানে ব্যাট করছেন।

তিন স্পিনার নিয়ে শ্রীলঙ্কা
 
পিঠের চোট কাটিয়ে ফিরেছেন অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনার রঙ্গনা হেরাথ। অতিথিদের স্পিন ত্রয়ীর অন্য দুই জন দিলরুয়ান পেরেরা ও লাকশান সান্দাকান। 
 
দুই পেসার নিয়ে খেলছে শ্রীলঙ্কা। সুরঙ্গা লাকমলের সঙ্গী লাহিরু কুমারা। 
 
শ্রীলঙ্কা দল: দিমুথ করুনারত্নে, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, কুসল মেন্ডিস, দিনেশ চান্দিমাল, রোশেন সিলভা, নিরোশান ডিকভেলা, দিলরুয়ান পেরেরা, রঙ্গনা হেরাথ, সুরঙ্গা লাকমল, লাকশান সান্দাকান, লাহিরু কুমারা।

 

 

 

সানজামুলের অভিষেক
 
সানজামুল ইসলামের অনভিজ্ঞতার কথা চিন্তা করে ৩৫ বছর বয়সী আব্দুর রাজ্জাককে ডেকেছিলেন নির্বাচকরা। চট্টগ্রাম টেস্টে সুযোগ পেলেন শেষ পর্যন্ত সানজামুলই। অভিষেক হচ্ছে বাঁহাতি এই স্পিনারের। 
 
তিন বিশেষজ্ঞ স্পিনার নিয়ে খেলছে বাংলাদেশ। স্পিনে সানজামুলের দুই সঙ্গী তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দলে একমাত্র পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। 
 
চোটের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শেষ টেস্টে না খেলা তামিম ইকবাল ফিরেছেন দলে। চোখের সংক্রমণের জন্য চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে থাকা মোসাদ্দেক হোসেন ফিরেছেন একাদশে। 
 
বাংলাদেশ দল: তামিম ইকবাল, লিটন দাস, ইমরুল কায়েস, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, মোসাদ্দেক হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, সানজামুল ইসলাম।

 

 

 

 

টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
 
গুরুত্বপূর্ণ টস জয় দিয়ে শুরু হল মাহমুদউল্লাহর। বাংলাদেশের দশম টেস্ট অধিনায়ক টস জিতে নিলেন ব্যাটিং। ব্যাটসম্যানদের সামনে দায়িত্ব দলকে প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহ এনে দেওয়ার।

 

সাকিবকে হারানোর মূল্যে মাহমুদউল্লাহর স্বপ্নপূরণ

নেতৃত্বের গুণটা তার মাঝে সহজাত। ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ সফল অধিনায়ক। জাতীয় দলের সহ-অধিনায়ক প্রথমবার হয়েছিলেন সাড়ে ৬ বছর আগে। এক দিন দেশকে নেতৃত্ব দিতে চান, সেটি নানা সময়ে বলছেন বেশ কবার। তবে সেই সুযোগটা যেভাবে এলো, সেভাবে চাননি মাহমুদউল্লাহ।

ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে চোট পেয়ে প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে যান সাকিব আল হাসান। তাই বাংলাদেশের দশম টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকের অপেক্ষায় মাহমুদউল্লাহ। বুধবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টে টস করবেন। খেলা শুরু হবে সকালে সাড়ে নয়টায়।

মাহমুদউল্লাহর কাছে সাকিবকে হারানো দলের জন্য বড় একটা বিপর্যয়। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডাকে না পাওয়া দলের জন্য বড় ক্ষতি।

টার্নিং উইকেট

১৬ জনের বাংলাদেশ দলে বিশেষজ্ঞ স্পিনারই ছয়জন। প্রয়োজনে স্পিন করতে পারেন, এরকম আরও কয়েকজন তো আছেনই। চট্টগ্রাম টেস্টের উইকেট কেমন হবে, সেটির ধারণা দল দেখেই বুঝে নিতে বললেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দিনেশ চান্দিমাল এক কথায়ই রায় দিয়ে দিলেন, ‘টার্নিং উইকেট।’

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টের জন্য বাংলাদেশের প্রথম ঘোষিত দলে বিশেষজ্ঞ স্পিনার ছিলেন সাকিব আল হাসান, নাঈম হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। পরে সাকিব ছিটকে যাওয়ার পর বিকল্প হিসেবে দেওয়া হয় সানজামুল ইসলাম ও তানবীর হায়দারকে। পরে নেওয়া হয় অভিজ্ঞ স্পিনার আব্দুর রাজ্জাককেও।

উইকেট নিয়ে ভালো ধারণা আছে চন্দিকা হাথুরুসিহের। বাংলাদেশের সদ্য সাবেক কোচ নিয়ে এসেছেন চারজন বিশেষজ্ঞ স্পিনার রঙ্গনা হেরাথ, দিলরুয়ান পেরেরা, লাকশান সান্দাকান ও আকিলা দনঞ্জয়াকে।

বাংলাদেশের কৌশলে অবাক নন হাথুরুসিংহে

উপমহাদেশের দলগুলির বিপক্ষে টার্নিং উইকেট বানানোর কৌশল হতে পারে আত্মঘাতী। বাংলাদেশ হাঁটছে সেই ঝুঁকির পথেই। তবে বাংলাদেশ এমন ঝুঁকি নেওয়ায় অবাক নন শ্রীলঙ্কান কোচ চন্দিকা হাথরুসিংহে।

বাংলাদেশের এই কৌশলের শুরু হাথুরুসিংহে কোচ থাকার সময়। ভয়াবহ টার্নিং উইকেট বানিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা। দেশের মাটিতে টেস্ট জয়ের এই ব্যবস্থাপত্র তৈরির অন্যতম কারিগর ছিলেন হাথুরুসিংহেই। এই চট্টগ্রামেই ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল টার্নি উইকেট বানানোর কৌশলের।

টার্নিং উইকেট বানিয়ে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট জিতেছে বাংলাদেশ। উপমহাদেশের কন্ডিশনে ওই দলগুলির স্পিনে দুর্বলতা সবারই জানা। এজন্যই কৌতুহলের ব্যাপার ছিল, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কোন পথে হাঁটে বাংলাদেশ।

কিন্তু হাথুরুসিংহে চলে গেলেও তার পরিকল্পনাতেই আছে বাংলাদেশ। উপমহাদেশের দলের বিপক্ষেও বেছে নিয়েছে টার্নিং উইকেট। এতে অনেকে অবাক হলেও অবাক হননি হাথুরুসিংহে।

বাংলাদেশের সামনে লঙ্কানদের হেরাথ চ্যালেঞ্জ

পিঠের চোট কাটিয়ে চট্টগ্রাম টেস্ট দিয়ে ফিরছেন রঙ্গনা হেরাথ। পুরানো এই শত্রু টেস্ট সিরিজে হতে পারেন বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক নিশ্চিত, অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনারকে সামলানো টেস্টে স্বাগতিকদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে।

৩৯ বছর বয়সী হেরাথ বাংলাদেশের বিপক্ষে দারুণ সফল। ৮ টেস্টে ২২.৬৩ গড়ে বাঁহাতি স্পিনারের উইকেট ৪১টি। পাঁচ উইকেট আছে তিনবার, ১০ উইকেট একবার।

শ্রীলঙ্কায় দুই দলের সবশেষ লড়াইয়ে দেখা গেছে হেরাথের বোলিং দ্যুতি। ২ টেস্টে ১৮ গড়ে নিয়েছিলেন ১৬ উইকেট। তার সাফল্য সব দেশের মাটিতে। বাংলাদেশে সুবিধা করতে পারেননি দুই ম্যাচের কোনোটিতেই। ২০০৮ ও ২০১৪ সালের সফরে দুটি টেস্ট খেলে ৫৩ গড়ে নেন ৪ উইকেট। প্রতিটি উইকেটের জন্য করতে হয় ৮৭ বল করে।

বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখছেন মাহমুদউল্লাহ

ভারতে সবশেষ টেস্ট সিরিজে ভালো করেছে শ্রীলঙ্কা। অন্যদিকে প্রথম টেস্টের আগে বাংলাদেশ হারিয়েছে অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে। মাহমুদউল্লাহ মনে করেন, দুটি ব্যাপার মিলিয়েও এগিয়ে নেই শ্রীলঙ্কা। দেশের মাটিতে এগিয়ে বাংলাদেশই।

ভারত সফরে শ্রীলঙ্কা ১-০ ব্যবধানে হারে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। মাহমুদউল্লাহ মনে করেন, ভারতে দুটি ড্র থেকে অনুপ্রেরণা পেতে পারেন লঙ্কানরা। চিরচেনা মাঠে স্বাগতিকদের সুযোগ বেশি দেখেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক।

 

কমেন্ট করুন

...

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Top