logo
news image

প্রাণীর ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন উদ্ভাবন

নিজস্ব প্রতিবেদক।  ।  
দেশে গবাদি প্রাণীর ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে ‘ট্রাইভ্যালেন্ট’ ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করা হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ১৭ জন গবেষক বাংলাদেশে সঞ্চরণশীল ভাইরাস দ্বারা এই কার্যকরী টিকা উদ্ভাবন করেছেন।
উদ্ভাবিত এ টিকা তৈরিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে এবং খামারি পর্যায়ে প্রতিমাত্রা টিকা ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি’র যৌথ উদ্যোগে উদ্ভাবিত ভ্যাকসিন সম্পর্কে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন।
এতে অন্যান্যের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল মান্নান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, হেকেপ পরিচালক ড. গৌরাঙ্গ চন্দ্র মোহান্ত, ইউজিসি’র সদস্য ড. ইউসুফ আলী মোল্লা ও ড. আক্তার হোসেন এবং ড. জাফর ইকবাল বক্তব্য রাখেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন,প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে ও সুরক্ষায় এ টিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ক্ষুরা রোগের টিকা উৎপাদনে যে ভাইরাস ব্যবহৃত হয়,তা এদেশে বিদ্যমান ভাইরাস থেকে ভিন্ন কিংবা টিকাতে পর্যাপ্ত পরিমান এন্টিজেন থাকে না। ফলে অনেক ক্ষেত্রে তা কার্যকর হয় না।
তিনি বলেন,উদ্ভাবিত এই টিকা দেশে বিদ্যমান ক্ষুরা রোগের তিন ধরনের ভাইরাসের সকল প্রকার সংক্রমন থেকে গবাদি প্রাণীকে অত্যন্ত সফলভাবে সুরক্ষা প্রদানে সক্ষম হবে এবং এর মূল্য বাজারে প্রচলিত ভ্যাকসিনের চেয়ে অনেক কম হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন,এ গবেষণা পরিচালনার জন্য ল্যাব স্থাপনসহ আনুষঙ্গিক ব্যয় মেটাতে অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগকে দু’টি উপ-প্রকল্পের আওতায় হেকেপ থেকে মোট ১০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।ক্ষুরা রোগের কারণে প্রতিবছর বাংলাদেশে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১২৫ মিলিয়ন ডলার। এ রোগ প্রতিরোধে ব্যবহৃত টিকা আমদানি করা হয়ে থাকে বলেও জানান তিনি। ইউজিসির উচ্চশিক্ষা মানোন্নয়ন প্রকল্পের (হেকেপ)আওতায় এ গবেষণা পরিচালিত হয়।

কমেন্ট করুন

...

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Top