logo
news image

ডি ভিলিয়ার্স স্পাইডারম্যান না সুপারম্যান

ব্যাট হাতে মাঠে যেসব কীর্তি করেন, ২২ গজের সুপারম্যান তাঁকে অনেক বারই বলা হয়েছে। তবে এবার ফিল্ডিংয়ে যা করলেন, তাতে এবি ডি ভিলিয়ার্সকে স্পাইডারম্যানই ডেকে বসলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জারস বেঙ্গালুরু অধিনায়ক বিরাট কোহলি। আইপিএলে কাল যারা ডি ভিলিয়ার্সের ক্যাচটা টিভি পর্দায় বা সামনাসামনি দেখেছেন, তারা অবশ্য একমত হবেন কোহলি খুব একটা বাড়িয়ে বলেননি!

গত বৃহস্পতিবার রাতে হায়দরাবাদের ইনিংসের অষ্টম ওভারের শেষ বল তখন। মঈন আলীর বলটা ডিপ মিডউইকেটের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়েছিলেন অ্যালেক্স হেলস। এক মুহূর্তের জন্য মনে হচ্ছিল বলটা সীমানা পার হয়েই যাচ্ছে। কিন্তু বাউন্ডারি লাইনের ঠিক মাথায় দাঁড়িয়ে ডি ভিলিয়ার্সের ভাবনা ছিল অন্য কিছু। বলটা যখন সীমানা পার হয়ে যাচ্ছে, লাফ দিয়ে এক হাতে সেটা ধরে ফেললেন। সেই লাফও হলো কী দারুণ, একটু এদিক সেদিক হলেই দড়িতে পা দিয়ে ছয় হয়ে যেত। বিস্ময়ের ঘোর কাটতেই সতীর্থেরা সবাই ছুটে এলেন ডি ভিলিয়ার্সকে আলিঙ্গন করতে। ২৪ বলে ৩৭ রান করে আউট হেলস। ওদিকে কোহলি যেন নিজের চোখকেও বিশ্বাস করতে পারছিলেন না!

শেষ পর্যন্ত ক্যাচটা বৃথা যায়নি, হায়দরাবাদকে ১৪ রানে হারিয়ে প্লে অফের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে বেঙ্গালুরু। ডি ভিলিয়ার্স নিজের আসল কাজটা করেছেন এর আগেই, ৩৯ বলে ৬৯ রানের ইনিংসটা বেঙ্গালুরুকে পৌঁছে দিয়েছে ২১৮ রানের পাহাড়ে। তবে সেরাটা যে ফিল্ডিংয়ের জন্য জমিয়ে রাখবেন, কে ভেবেছিল? ম্যাচ শেষে কোহলি যেমন উচ্ছ্বসিত হয়ে বললেন, ‘সাধারণ মানুষ এটা করতে পারে না। এটা ছিল স্পাইডারম্যানের মতো। মনে হয়েছিল ওটা ছয় হয়ে গেছে। অথচ ও লাফ দিয়ে বলটা শুধু ধরলই না, ভারসাম্যও ঠিক রাখল। ’

‘আমি অবশ্য এখন ওর এসব অবিশ্বাস্য কীর্তি দেখতে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। ব্যাট হাতে কী করতে পারে জানি, ফিল্ডিংয়ে কী করতে পারে সেটা দেখেও অবাক হইনি।’

ডি ভিলিয়ার্স নিজে অবশ্য বলছেন, ক্যাচটা দেখতে যতটা কঠিন মনে হয়েছে আসলে ততটা কঠিন ছিল না। শুরুতে একটু ভারসাম্য হারিয়ে ফেলতে গিয়েছিলেন, পরে সেটা সামলে উঠেছেন। তবে দিন শেষে জয়টাই বড় করে দেখবেন নিশ্চয়!


কমেন্ট করুন

...

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Top